<?xml version="1.0" encoding="utf-8" standalone="yes"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/">
  <channel>
    <title>ভ্রমণকাহিনী on অপরেশ ভৌমিকের সমগ্র রচনা</title>
    <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/</link>
    <description>Recent content in ভ্রমণকাহিনী on অপরেশ ভৌমিকের সমগ্র রচনা</description>
    <generator>Hugo -- 0.147.3</generator>
    <language>bn</language>
    <lastBuildDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</lastBuildDate>
    <atom:link href="https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/index.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
    <item>
      <title>আব্রাহাম লিঙ্কনের স্মৃতিধন্য কেনটাকির হোজেনভাইল</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/lincoln_birth_place/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/lincoln_birth_place/</guid>
      <description>&lt;p&gt;বাউলিং গ্রিন শহরটা আমেরিকার কেনটাকি রাজ্যের দ্বিতীয় বড় শহর। আধুনিক শহরের আনুষঙ্গিক সবকিছু থাকার পাশাপাশি সেখানে রয়েছে আরও দু&amp;rsquo;টো উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান। একটি হলো দেশ-বিদেশ থেকে আগত ছাত্রদের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য বিখ্যাত ওয়েস্টার্ন কেনটাকি ইউনিভার্সিটি এবং অপরটি হলো একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এডওয়ার্ড ওয়ারেন বাফেটের বার্কশায়ার হেথাওয়ে ইনভেস্টার-এর নিয়ন্ত্রণাধীন ফুইট অফ দি লুমের হেডকোয়ার্টার।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আব্রাহাম লিংকনের জন্মভিটায় মেমোরিয়েল বিল্ডিং এর সামনে।
ফুইট অফ দি লুমের হেডকোয়ার্টারেই আমার ছেলে কাজ করতো আর সেজন্যই প্রবাসে ওর সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে বাউলিং গ্রিন শহরের উইলকিনসন ট্রেসের ফেয়ারওয়েজ অ্যাট হার্টল্যান্ড কমপ্লেক্সের একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে হয়।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>কালসঙ্গী ম্যাকনামারা</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/mcnamara/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/mcnamara/</guid>
      <description>&lt;p&gt;ম্যাকনামারা নামটা মনের কোন গহীন অতলে যে চাপা পড়েছিল জানি না, সেটা হয়ত বা চিরদিনের মতই চাপা পড়ে থাকত যদি না আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডিটিডব্লু ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আসতাম।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;কিছুদিন আগেও আরেকবার এই এয়ারপোর্টে এসেছি। তবে তখন ছিল ডমেস্টিক ফ্লাইট, ডেট্রোয়েট থেকে নিউইয়র্ক। সেসময় অবশ্য এই ম্যাকনামারা টারমিনালে আসতে হয়নি। আমাকে স্মিথ টারমিনালে যেতে হয়েছিল। আমেরিকান এয়ারলাইন্সের আমেরিকান ঈগল নামক ছোট জেট বিমানে চেপে ডেট্রয়েট থেকে নিউইয়র্ক লা-গার্ডিয়া এয়ারপোর্টে অবতরণ করেছিলাম। আমেরিকার স্মিথ নামে কোন্ বরেণ্য ব্যক্তির স্মৃতিতে স্মিথ টার্মিনাল রাখা হয়েছে তা জানি না। সেটা অনুসন্ধানের জন্য মন তেমন কোনও পীড়াপীড়িও করেনি। কিন্তু ম্যাকনামারা টার্মিনাল নাম শুনেই মনে হয়েছে সেটা নিশ্চয়ই সেই ম্যাকনামারা যে নাকি বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে বিশ্বব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ছিলেন। আমেরিকার কৃতি পুরুষদের অন্যতম ম্যাকনামারার স্মৃতি রক্ষার্থেই সম্ভবত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের এই টার্মিনালের নাম রাখা হয়েছে ম্যাকনামারা টার্মিনাল।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>কালাডি দর্শন</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/kaladi/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/kaladi/</guid>
      <description>&lt;p&gt;কোচিন শহরের ভাইটিলা এলাকায় এল, এম, পাইলি লেনের বাড়িটাতে আমাদের বসবাসের বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো। বাড়ির মালিক কেরলের স্থায়ী বাসিন্দা, মালয়ালম ভাষাভাষী এবং সম্ভ্রান্ত হিন্দু। সম্প্রতি একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। ভদ্রলোক এবং উনার গিন্নি বাড়িতে থাকেন। ভাড়াটিয়ার প্রতি ওদের ব্যবহার অমায়িক।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নূতন জায়গায় গিয়ে বসবাস করতে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় খুটিনাটি অনেক জিনিসের খোঁজ খবর নিতে ওদের সাহায্য অপরিহার্য। কিন্তু আমাদের নিজস্ব ভাষায় সেই প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর নাম ওদেরকে বলে বুঝানো যায় না। আর জিনিস পত্রের সঠিক স্থানীয় নাম জানা না থাকলে দোকানে গিয়ে কিছুই কেনা কাটা করা যায় না। রান্নার উপকরণ যথা কালীজিরা, গুলমরিচ, আদা এবং মাছ কুটার বটিদা, নারকেল কুড়ানি প্রভৃতির স্থানীয় নাম জানতে গিয়ে গলদগম হতে হয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে বাড়িতে ঠাকুরের নিত্য পূজা করার জন্য ঠাকুর রামকৃষ্ণ, মা সারদা এবং গুরুদেব স্বামী গহনানন্দজীর ফটো কোথায় পাওয়া যাবে জিজ্ঞেস করে অতি সহজেই তাদের কাছ থেকে জানতে পারি যে, আমাদের এল,এম, পাইলি লেন থেকে পাথর ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে ভাইটিলা রামকৃষ্ণ মঠ এবং সেখানে গেলেই ওগুলো পাওয়া যাবে।
এল,এম, পাইলি লেন থেকে বেরিয়ে ভাইটিলা চৌমাথায় যাওয়ার রাস্তায় পা ফেললেই সামনে রয়েছে ৪৭নং জাতীয় সড়ক। উত্তরে তামিলনাড়ুর শেষ প্রান্ত থেকে দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের পার অবধি আরব সাগরের উপকূল ঘেঁষে চলে গেছে চার লাইনের ৪৭নং জাতীয় সড়ক এবং তার দু&amp;rsquo;ধারের কিছু ফাঁকা জায়গা নিয়ে চওড়া হবে প্রায় একশ মিটারের কাছাকাছি। সকাল থেকে সন্ধ্যা এবং সন্ধ্যা থেকে সকাল অবধি সবসময়ই বিশাল বিশাল ষোল চাকার মালবাহী ট্রাক এবং নানা ধরণের যানবাহন এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করে।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>চলো যাই মুন্নার</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/munnar/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/munnar/</guid>
      <description>&lt;p&gt;মুন্নার সম্বন্ধে আমার কিছুই জানা ছিল না। কয়েকমাসের জন্য শিলচরের বাড়ি থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে কোচিনে পাড়ি দেওয়ার প্রাক্কালে পার্থিব বসুর মুখেই আমি মুন্নারের কথা প্রথম শুনি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;পার্থিব হলো আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব্য বিদ্যার অধ্যাপক। বনগাঁর ছেলে, পড়াশুনা কলকাতায় করেছে এবং পরবর্তীতে বিদেশ বিভুইয়ে সে অনেক ঘুরাঘুরি করেছে। পড়াশুনার বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণার জন্য ওকে কয়েকমাস আফ্রিকার শ্বাপদ সঙ্কুল ও হিংস্র প্রাণী সম্বলিত গভীর জঙ্গলেও দিনাতিপাত করতে হয়।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জন্য নিযুক্তিপত্র নিয়ে কলকাতা থেকে শিলচরে আসার দুতিন দিন পরই আমার বাড়িতে ও ভাড়াটে হয়ে আসে। প্রথম দর্শণেই আমার বাড়িটা ওর খুব পছন্দ হয়। তাছাড়া ভাড়াটের সুযোগ সুবিধা এবং বিনিময়ে প্রদেয় মাসিক শুল্ক প্রভৃতি সবকিছুই মনোমত হওয়ায় পার্থিব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবাসনে চলে যাওয়ার কোন চেষ্টা করেনি। একই ছাতের নিচে বসবাসে উভয়েরই উভয়ের প্রতি দিনে দিনে টান বাড়ে। তাই আচমকা শিলচরের পাততাড়ি গুটিয়ে কোচিন চলে যাবো বলে আমার অবর্তমানে অধ্যাপক পার্থিব বসুকেই বাড়িটা দেখভাল করার জন্য অনুরোধ করি। পার্থিব খুশী মনেই দেখভালের দায়িত্ব নেয়। ওর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে উঠোন সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার সময়ই পিছু পিছু এগিয়ে এসে ও আমাকে বলে- “দাদা কোচিন থেকে মুন্নার কিন্তু দূর নয়। মুন্নারের হিল রিসোর্টে গিয়ে কয়েকদিন থাকবেন।”
কোচিনে এসে বসবাস করার কয়েকমাস হয়ে যায়। শহর এলাকার হাটবাজার, মল এবং কোচিন শহরের পশ্চিমে দৃষ্টির অগোচরে চলে যওয়া দিগন্ত বিস্তৃত সীমাহীন সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর জলরাশির উথাল পাথাল বার কয়েক ছুটির দিনে দেখা হয়েছে। তাই কোচিন শহরের নিকটবর্তী দর্শনীয় জায়গায় যাওয়ার চিন্তা ভাবনা শুরু হয়।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>নিউইয়র্ক ও নিউজার্সিতে দিনযাপনের ভাষ্য</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/newyork/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/newyork/</guid>
      <description>&lt;p&gt;কৃপাংশু চৌধুরী আমার চাকুরী জীবনের প্রথম পর্বে স্বল্প সময়ের সহকর্মী। সে আসাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংএ ডিগ্রি লাভ করার পরই লেকচারার পদের নিযুক্তি পেয়ে শিলচর পলিটেকনিকে যোগ দেয়। প্রায় ছ ফুট লম্বা, সুশ্রী ও সুঠাম দেহের অধিকারী কৃপাংশুর ছাত্র পড়ানোর বিশেষ দক্ষতা এবং সহকর্মীদের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধন গড়ে তুলার বিশেষ গুণ ছিল। তাছাড়া ছাত্রদের খেলাধূলা এবং সাংস্কৃতিক মান উন্নয়নেও তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমিও চাকুরী জীবনের পূর্বে ছাত্রাবস্থায় শিলচর জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত এ ডিভিশনের লীগ এবং নক আউট প্রতিযোগীতায় ফুটবল এবং ক্রিকেট দু ধরণের খেলাই খেলেছি। ফুটবল খেলেছি শিলচর স্পোটিং ক্লাবের হয়ে এবং ক্রিকেট খেলেছি শিলচর টাউন ক্লাবের হয়ে। পরবর্তীতে চাকুরী জীবনে শিক্ষক হয়েও ছাত্রদেরকে নিয়ে ফুটবল এবং ক্রিকেট টিম গঠন করে খেলাধূলায় অংশগ্রহণ এবং পরিচালনায় যুক্ত থেকেছি। এসুবাদেই কৃপাংশুর সঙ্গে আমার ভাব বিনিময় এবং সম্প্রীতি গড়ে ওঠে।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>পরবাসের ব্যতিক্রমী গল্প</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/omaha/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/omaha/</guid>
      <description>&lt;p&gt;আমেরিকায় আমাদের প্রথম প্রবাস ছিল মিশিগান রাজ্যের আববাার্ণ হিলস্ শহরের এডামস্ ক্রীক এপার্টমেন্টে। আববার্ণ হিলস্ শহরেই ছিল ক্রাইসলার কোম্পানীর বড় অফিস। ক্রাইসলার হলো আমেরিকায় মটর তৈরির বিখ্যাত কোম্পানী। এক সময় জার্মানের ডেইমলার কোম্পানীর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রাইসলার এণ্ড ডেইমলার নামে ওরা পৃথিবীজুড়ে মটর তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। আমার ছেলে শ্রীমান অশোকতরু ব্যাঙ্গালোর শহরেই ডেইমলার কোম্পানীর নিযুক্তি পেয়ে প্রথমে জার্মানের স্কুট গার্ট শহরে কিছুদিন কাজ করে পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যের আববার্ণ হিলস্ শহরে বদলি হয়ে যায়। আববার্ণ হিলস্ শহরটি আবার আমেরিকার বিখ্যাত অটোমোবাইল সিটি ডেট্রয়েটের লাগোয়া শহর। ডেট্রয়েট শহরটি এক সময়ে পৃথিবীর সেরা মোটর গাড়ি উৎপাদনের কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে অবশ্য ডেট্রয়েট তার পুরাতন ঐতিহ্যের ঠাট রাখতে পারেনি। ফোর্ড, জেনারেল মটরস, চেভ্রলেট প্রভৃতি কোম্পানীর এক সময়ের চাকচিক্যপূর্ণ বৃহৎ বৃহৎ অট্টালিকাগুলো বর্তমানে ভগ্নদশা প্রাপ্ত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় বিরাজমান।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>ফক্স টিভি নেটওয়ার্ক ও থাইলুর মাসীমা</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/foxtv/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/foxtv/</guid>
      <description>&lt;p&gt;আমেরিকার আরকানসাস ষ্টেটের রোজার্স নামক ছোট্ট শহরের পাইনেকল্ হিলস্ এলাকার একটা কনডেমোনিয়ামে কিছুদিনের জন্য আমাদের বসবাস ছিল। আমাদের ঐ বাসগৃহ থেকে অনতিদূরেই ছিল একটা ওয়ালমার্ট আর সেটাই নাকি ওয়ালমার্টের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের প্রথম দোকান। আমরা ঠিক করেছিলাম রবিবার বন্ধের দিন সকালবেলা রোজার্সের ঐ ঐতিহাসিক ওয়ালমার্টে যাবো। কিন্তু শনিবার মাঝরাত থেকে বরফ পড়তে শুরু করে এবং এলাকার রাস্তাঘাটে বরফ প্রায় তিন ইঞ্চি উচু হয়ে জমাট বেঁধে থাকে। অগত্যা রবিবার সকালবেলা প্রতিকুল আবহাওয়ায় ঘর থেকে বের না হয়ে কম্পিউটারের সামনে বসে মাউস নিয়ে নাড়াচাড়া করি। গুগুলস্-এ চাঁদ প্রসঙ্গে কিছু দেখতে গিয়ে কম্পিউটারের পর্দায় ভেসে আসে &amp;lsquo;ফক্স টিভি এন্ড দি এপেলো মুন হোয়াক্স&amp;rsquo;। সেটাতে মনোনিবেশ করতেই মনে এক বিরাট ধাক্কা লাগে। হায় হায়, এটা যদি সত্যি হয় তাহলে কি সর্বনাশের কথা! এত বড় মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমেরিকা পৃথিবীর মানুষকে বোকা বানিয়েছিলো?&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>বাউলিং গ্রীন, ন্যাসভাইল ও ওকরীজের খণ্ডকথা</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/nashville/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/nashville/</guid>
      <description>&lt;p&gt;ইউনাইটেড স্টেটস্ অফ আমেরিকার রাজ্যগুলির মধ্যে কেনটাকি অন্যতম।
কেনটাকি রাজ্যের রাজধানী হলো লুইসভাইল এবং লুইসভাইলের পরই দ্বিতীয় বড়
শহর হলো বাউলীং গ্রীন। বাউলিং গ্রীন শহরে রয়েছে বিখ্যাত ওয়েস্টার্ণ কেনটাকি ইউনিভার্সিটি। এই ইউনিভার্সিটিতে দেশ বিদেশের ছাত্ররা এসে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এছাড়া এ শহরে আরো একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেটা হলো (Fruit of the Loom) ফ্রুইট অফ দি লুমসের হেডকোয়ার্টার। ফ্রুইট অফ দি লুমস হলো গেঞ্জি, আণ্ডারওয়ার, মোজা ইত্যাদি সহ নানা ধরণের অন্তর্বাস তৈরির বিখ্যাত কোম্পানী যার উৎপাদন কেন্দ্র পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আছে এবং উৎপাদিত দ্রব্য বিশ্বের বাজারে বিক্রি হয়।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>মায়াবী সেতুনগরী পিটস্বার্গ</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/pittsburg/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/pittsburg/</guid>
      <description>&lt;p&gt;আববার্ণ হিলসের এডামস্ত্রীক এপার্টমেন্টে আমাদের বসবাসের তিনমাস হয়ে গেছে। শীতের দাপট আর নেই। তখন বসন্তের শেষ। চারদিকের শুকনো ডালপালা নিয়ে গাছের কঙ্কালগুলো নূতন রূপ ধরেছে। মনে হয় কোন এক ঐন্দ্রজালিক শক্তির প্রভাবে পত্রবিহীন গাছের শুকনো কঙ্কালগুলো হঠাৎ সজীব মহীরুহে রূপান্তরিত হয়েছে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এডামস্ত্রীক এপার্টমেন্টে আবির্ভূত আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের প্রথম পুরুষ শ্রীমান অরুণীম ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। দেখতে দেখতে ওর বয়স আড়াই মাস হয়ে গেলো। ওকে কারসীটে ভালোভাবে রেখে ভ্রমণ করা যায়। ছুটির দিনে আশেপাশের শহর ডেট্রয়েট, ট্রয়, হ্যামট্রেক, পন্টিয়াক, রোচেষ্টার হিলস্ প্রভৃতি জায়গাগুলো দেখা হয়েছে। তাই পরবর্তীতে শনি রবি দু&amp;rsquo;দিনের ছুটিতে পেনসেলভেনিয়া ষ্টেটের পিটস্বার্গ শহরে যাওয়ার কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়।
শনিবার দিন সকালবেলা আববার্ণ হিলস্ থেকে নিজেদের ক্রাইসলার জীপে চেপে রওয়ানা দেই পিটস্বার্গের উদ্দেশ্যে। ড্রাইভিং সীটে অশোকতরু এবং তার ডানপাশে আমি। পিছনে মধ্যিখানে কারসীটে বেল্ট বেঁধে রাখা হয় অরুণীমকে এবং তার দু&amp;rsquo;পাশের দুটো আসনে ঠাম্মা রুবি এবং মা সোনা।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
    <item>
      <title>শিকাগো ভ্রমণ</title>
      <link>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/chicago-bhraman/</link>
      <pubDate>Thu, 01 Jan 2026 00:00:00 +0000</pubDate>
      <guid>https://www.bhowmickarchives.in/bn/travelogue/chicago-bhraman/</guid>
      <description>&lt;h2 id=&#34;পরককনধন&#34;&gt;প্রাক্কন্ধন&lt;/h2&gt;
&lt;p&gt;তিন মাস হলো আমরা পরবাসী। আমেরিকার মিশিগান স্টেটে এসেছি। ছেলে ডেইমলার অ্যান্ড ক্রাইসলার কোম্পানীর সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। একসময়ে বিশ্বের এক নম্বর অটোমোবাইল সিটি ডেট্রয়েটের পাশে আববার্ণ হিলসের এডামস্ ক্রীকে ওর বাসস্থান। আমরা সেখানেই উঠি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;ডেট্রয়েটে শীতের প্রকোপ খুব বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে এখানে আসার পর মার্চ মাস অবধি অধিকাংশ দিনই বরফ পড়েছে এবং তাপাঙ্ক -৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে -৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওঠানামা করেছে। দীর্ঘদিন আকাশে সূর্য দেখার সুযোগ হয়নি। কেবল আহার সামগ্রী কিনতে বাইরে যেতে হয়েছে। বিশেষ শীতবস্ত্র গায়ে জড়িয়ে এয়ার কন্ডিশনড ঘর থেকে বেরিয়ে এয়ার কন্ডিশনড গাড়ি চেপে শপিং মলে বাজার করেই ঝটাপট আস্তানায় ফিরে আসা। বাস্, এ পর্যন্তই আমাদের বাইরে বেরোনোর ব্যাপার। বস্তুত সে সময় ঘরবন্দীই ছিলাম।&lt;/p&gt;</description>
    </item>
  </channel>
</rss>
